সন্তুষ্ট ফখরুল ! অতঃপর যে খবরের ঘোষণা দিলেন ফখরুল

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার পর দলের মধ্যে যৌথ নেতৃত্ব গড়ে উঠেছে বলে উল্লেখ করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেছেন, আমরা অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে বলতে চাই, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার পরে আমরা যৌথ নেতৃত্ব গড়ে তুলেছি। সেই যৌথ নেতৃত্বের মধ্য দিয়ে সমস্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে আমরা আজকে জনগণের কাছে যেতে পেরেছি।

সোমবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সমাবেশে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নামে দায়ের হওয়া মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে সমাবেশের আয়োজন করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এবং বর্তমান ছাত্রদল নেতারা।

মির্জা ফখরুল বলেন, আজকের সংকটটা কোথায়? সংকট হচ্ছে, একটি সুপরিকল্পিত চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বাংলাদেশকে গণতন্ত্রবিহীন করা হচ্ছে। সেই জন্যেই গণতন্ত্রের যারা নেতা, গণতন্ত্রের যারা নেতৃত্ব দিয়েছেন; গণতন্ত্রকে যারা অতীতে প্রতিষ্ঠা করেছেন, বাংলাদেশে তাদেরকে আজকে রাজনীতি থেকে দূরে সরে দেয়ার চক্রান্ত করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, আজকে অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে সচেতনভাবে মানুষের অধিকারগুলো কেড়ে নিয়ে রাষ্ট্রের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভেঙে দিয়ে একদলীয় শাসন-ব্যবস্থা প্রবর্তন করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, সেজন্য দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার আগে বারবার করে বলে গিয়েছিলেন দল-মত নির্বিশেষে গণতন্ত্রকে রক্ষা করবার জন্য, মানুষের অধিকারকে রক্ষা করবার জন্য  আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে ফখরুল বলেন, নেত্রীকে মুক্ত করবার জন্য দেশে গণতন্ত্রকে ফিরে আনার জন্য আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে সংগ্রাম করতে হবে, লড়াই করতে হবে আন্দোলন করতে হবে। আমরা অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে বলতে চাই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার পরে আমরা যৌথ নেতৃত্ব গড়ে তুলেছি। সেই যৌথ নেতৃত্বের মধ্য দিয়ে সমস্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে আমরা আজকে জনগণের কাছে যেতে পেরেছি।

জনগণকে আন্দোলনে সম্পৃক্ত করে আজকে আমাদের গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করতে হবে। দেশনেত্রীকে মুক্ত করতে হবে তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনতে হবে এবং আমাদের নেতাকর্মী যারা মিথ্যা মামলায় আটক হয়ে আছে তাদেরকে মুক্ত করতে হবে, যোগ করেন তিনি।

দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে ফখরুল বলেন, আসুন, গণআন্দোলন সৃষ্টি করি। যে আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমরা নেত্রীকে মুক্ত করব দেশকে মুক্ত করবো গণতন্ত্রকে মুক্ত করবো।

শ্রীলঙ্কায় ভয়াবহ হামলার ঘটনার নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা এটাকে সবসময় নিন্দা জানিয়েছি। গতকালও নিন্দা জানিয়েছি। যারা হতাহত হয়েছে তাদের প্রতি একাত্মতা ঘোষণা করছি এবং আমাদের যারা আহত হয়েছেন তারা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুক। এই ধরনের হত্যাকাণ্ড টেররিস্ট এক্টিভিটিস কে নিন্দা করি।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাবেক ছাত্রদলের আহ্বায়ক খালেক হাওলাদারের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, বিশেষ সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিপন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, সহ প্রচার সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলীম, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল প্রমুখ বক্তব্য দেন।

ব্রেকিং : যা চাইলেন বি. চৌধুরী

যুক্তফ্রন্ট চেয়ারম্যান এবং বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী (বি. চৌধুরী) বঙ্গবন্ধুকে স্বাধীনতার স্বপ্নপুরুষ বলে আখ্যায়িত করেছেন।

সোমবার রাজধানীর বাড্ডায় বিকল্পধারা বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে তিনি একথা বলেন।

স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ জাতীয় নেতা মওলানা ভাসানী, প্রত্যক্ষ মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী জিয়াউর রহমান, কৃষকের নেতা শেরেবাংলা একে ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানী এমএজি ওসমানী এবং বিকল্পধারার সদ্য প্রয়াত সহ-সভাপতি মনজুর রাশেদ ও আবদুল আজিজ আখন্দ স্মরণে এ সভার আয়োজন করা।

বি. চৌধুরী বলেন, আমাদের মহান স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন স্বাধীনতার স্বপ্নপুরুষ। আর জাতীয় নেতারা স্ব স্ব ক্ষেত্রে দেশের জন্য যে অবদান রেখেছেন তাদের সবাইকে আমরা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি।

ঘৃণার রাজনীতির পরিবর্তে শ্রদ্ধার রাজনীতি প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়ে বিকল্পধারার প্রেসিডেন্ট বলেন, এই সংস্কৃতি যেদিন প্রতিষ্ঠিত হবে, সেদিনই প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে।

অনুষ্ঠানে অন্যদের বক্তব্য রাখেন বিকল্পধারার মহাসচিব মেজর (অব.) আবদুল মান্নান, প্রেসিডিয়াম সদস্য শমসের মবিন চৌধুরী বীরবিক্রম, কেন্দ্রীয় নেতা ব্যারিস্টার ওমর ফারুক, ওয়াসিমুল ইসলাম, ওবায়েদুর রহমান মৃধা, আইনুল হক, আসাদুজ্জামান বাচ্চু, আবুল বাশার আকন্দ, বিএম নিজাম, খায়রুল আলম সবুজ, ডা. জোহরা বিনতে আজিজ প্রমুখ।

আজ বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তারেক রহমান

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন,

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ,

ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, নজরুল ইসলাম খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক সদস্য বলেন, শপথ ইস্যুতে কোনো আলোচনা হয়নি।

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসা সম্পর্কে আলোচনা হয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ সদর আসনের নির্বাচিত বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব হারুনুর রশিদ সংসদে যাওয়ার বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাবের কথা জানিয়েছেন-এ বিষয়ে আপনাদের মনোভাব কী?

এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আগে উনি শপথ নিক। তারপর দেখা যাবে।

দলের যৌথ নেতৃত্ব নিয়ে একি বললেন বিএনপি মহাসচিব !

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার পর দলের মধ্যে যৌথ নেতৃত্ব গড়ে উঠেছে দাবি করে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ফখরুল বলেন, আমরা অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে বলতে চাই,

দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার পরে আমরা যৌথ নেতৃত্ব গড়ে তুলেছি। সেই যৌথ নেতৃত্বের মধ্য দিয়ে সব সিদ্ধান্ত নিয়ে আমরা আজকে জনগণের কাছে যেতে পেরেছি।

সোমবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নামে দায়ের হওয়া মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এবং বর্তমান ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সম্মিলিতভাবে এ সমাবেশের আয়োজন করে।

সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র-চক্রান্তের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকে গণতন্ত্রবিহীন করা হচ্ছে অভিযোগ করে ফখরুল বলেন, আজকের সঙ্কটটা কোথায়? সঙ্কট হচ্ছে একটি সুপরিকল্পিত চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বাংলাদেশকে গণতন্ত্রবিহীন করা হচ্ছে।

সেই জন্যই গণতন্ত্রের যারা নেতা, গণতন্ত্রের যারা নেতৃত্ব দিয়েছেন, গণতন্ত্রকে যারা অতীতে প্রতিষ্ঠা করেছেন বাংলাদেশে তাদের আজকে রাজনীতি থেকে দূরে সরে দেয়ার চক্রান্ত করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, সেজন্য আজকে অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে সচেতনভাবে মানুষের অধিকারগুলো কেড়ে নিয়ে, গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে

নিয়ে রাষ্ট্রের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে ভেঙে দিয়ে একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রবর্তন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। বিচার বিভাগ, প্রশাসন থেকে শুরু করে এমনকি মিডিয়া পর্যন্ত তারা রেহাই দিচ্ছে না।

মির্জা ফখরুল বলেন, সেজন্য দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার আগে বারবার বলে গিয়েছিলেন, দল-মত নির্বিশেষে গণতন্ত্রকে রক্ষা করার জন্য, মানুষের অধিকার রক্ষা করার জন্য আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, নেত্রীকে মুক্ত করবার জন্য দেশে গণতন্ত্রকে ফিরে আনার জন্য আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে সংগ্রাম করতে হবে, লড়াই করতে হবে, আন্দোলন করতে হবে।

জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলনে সম্পৃক্ত করে গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করতে হবে। দেশনেত্রীকে মুক্ত করতে হবে, তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনতে হবে এবং আমাদের নেতাকর্মী যারা মিথ্যা মামলায় আটক হয়ে আছে তাদেরকে মুক্ত করতে হবে।

শ্রীলঙ্কার ভয়াবহ হামলার ঘটনার নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা এটাকে সবসময় নিন্দা জানিয়েছি। গতকালও নিন্দা জানিয়েছি।

যারা হতাহত হয়েছে তাদের প্রতি একাত্মতা ঘোষণা করছি এবং যারা আহত হয়েছেন তারা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুক। এই ধরনের হত্যাকাণ্ড টেররিস্ট অ্যাক্টিভিটিসকে নিন্দা করি।

আমি নিশ্চিত – খালেদার জেলে থাকা নিয়ে এইমাত্র যে সুখবর দিলেন বিএনপি ভাইস চেয়ারম্যান

শিগগিরই কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া মুক্তি পাবেন- এমনটাই আশাবাদ ব্যক্ত করলেন দলটির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু।

দুদু বলেন, আজ আমি নিশ্চিত। আমার মন বলছে, বেগম খালেদা জিয়া আর বেশিদিন জেলে থাকবেন না।

সোমবার সন্ধ্যায় জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান ছাত্রফোরাম আয়োজিত বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি এবং

ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে এক প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

ছাত্রদলের উদ্দেশে দুদু বলেন, যাই করি না কেন, যা কিছুই হোক না কেন ,নেতা কে ফিরিয়ে আনতে ,নেত্রীকে বের করে আনতে আপনাদের কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, সে কাজের ক্ষেত্র এখন তৈরি হয়েছে। সেই অগ্রভাগে আছে জগন্নাথ
বিশ্ববিদ্যায়লের ছাত্ররা।

দুদু বলেন, আজ আমি নিশ্চিত। আমার মন বলছে বেগম খালেদা জিয়া আর বেশিদিন জেলে থাকবেন না। কারণ আজ জগন্নাথের ছেলেরা জেগে উঠেছে।

তারা যেভাবে আজ এখানে সমবেত হয়েছে। এর আগেও জগন্নাথের ছেলেরা যখনই জেগে উঠেছে তখনই বাংলাদেশি কিছু না কিছু ঘটেছে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রদলের আহ্বায়ক খালেক হাওলাদারের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর,

বিশেষ সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি,

সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলীম, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল প্রমুখ।

তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনতে এইমাত্র যে ঘোষণা দিলেন মির্জা ফখরুল

অত্যন্ত সুপরিকল্পিত ও সচেতনভাবে দেশকে গণতন্ত্র বিহীন করতে ষড়যন্ত্র থেমে নেই। আর যারা দেশের গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলনে সামিল ছিলো

তাদের দূরে সরানো হচ্ছে, বন্দি করা হচ্ছে। কেড়ে নেওয়া হয়েছে বাকস্বাধীনতা।

সোমবার (২২ এপ্রিল) জাতীয় প্রেসক্লাবে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও তারেক রহমানের মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান ছাত্রফোরাম আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ সব কথা বলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, আজ দেশের মানুষের বাকস্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নেই।

নিজের মতো করে প্রশাসন বিভাগকে ব্যবহার করা হচ্ছে। যারাই গণতন্ত্রের কথা বলেন তাদেরই বন্দি করা হচ্ছে, দূরে সরানো হচ্ছে রাজনৈতিকদের। এতে ব্যবহার করা হচ্ছে রাষ্ট্রযন্ত্রকে।

তিনি বলেন, আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। দেশের প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রাম করেছে ছাত্ররা। এখন সময় এসেছে আবারও আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে গণতন্ত্রের মাকে মুক্ত করার, তারুণ্যের অহংকার তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনার।

শ্রীলঙ্কায় সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, সন্ত্রাসী কোনো দলের বা ধর্মের না। এ ধরনের ঘটনায় নিন্দা অব্যাহত থাকবে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক আব্দুল খালেক হাওলাদারের সভাপতিত্বে আয়োজিত আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান,

প্রচার সম্পাদক শহিদউদ্দীন চৌধুরী অ্যানি, বিএনপি কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুজ্জামান রিপন, আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন, ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান।

উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নেতা হাবিবুর রহমান হাবিব, জবি ছাত্রদল সভাপতি রফিকুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি ফয়সাল আহমেদ সজলসহ কয়েক হাজার নেতা কর্মী।

আ.লীগ সরকারকে খুশি করতে যদি কেউ সংসদে যায় তবে যে ঘোষণা দিবে গয়েশ্বর

জেলে যাওয়ার ভয়ে আন্দোলন না করার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার জন্য বিএনপি নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

রোববার (২১ এপ্রিল) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বেগম জিয়ার মুক্তি দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে এ আহ্বান জানান তিনি।

আওয়ামী লীগ সরকারকে খুশি করতে যদি কেউ সংসদে যান, তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন গয়েশ্বর।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, নেত্রী (খালেদা জিয়া) জেলে থাকবে আমরা বাইরে থাকবো।

জেলে যাওয়ার ভয়ে আমরা আন্দোলন করবো না। আমাদের এই সিদ্ধান্ত পরিহার করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, নেত্রী জেলে থাকবে আমরা সংসদে গিয়ে মজা নিবো। শেখ হাসিনাকে তুষ্ট করবো এবং ব্যক্তি বিএনপিতে আছে কি-না আমার জানা নেই। যদি থাকে তাহলে তাদের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আজ মিডিয়ার সামনে এসেই জোরালো কণ্ঠে এ কি বললেন ড. কামাল হোসেন!

আমরা টাকার বিনিময়ে রাজনীতি করি না।

আমরা ধর্মকে কাজে লাগিয়ে রাজনীতি করি না। এটা নিয়ে​ আমরা গর্ব করি। আমরা অসাম্প্রদায়িক রাজনীতি করি জনগণের ওপর ভিত্তি করি।

নিজের জন্মবার্ষিকীতে শুভেচ্ছাসিক্ত হয়ে এভাবেই অনুভুতি ব্যক্ত করলেন গণফোরামের সভাপতি ও দেশের প্রবীণ রাজনীতিবিদ ড. কামাল হোসেন।

শনিবার রাজধানীর মতিঝিলের ইডেন কমপ্লেক্সস্থ দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত গণফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় এসব কথা বলেন তিনি। ড. কামাল হোসেন বলেন, গণফোরাম এখন আগের চেয়ে শক্তিশালী হয়েছে।

এবার ভালো ভালো লোকজন এগিয়ে এসে আমাদের দলে যোগ দিয়েছেন। তারা যোগদান করছেন এজন্য যে, আমাদের দল কর্মক্ষম, আমাদের দলের জনপ্রিয়তা বাড়ছে এবং তারা এসে অবদান রাখতে চান। এখন আমাদের সবচেয়ে বড় কাজ হবে সাংগঠনিক কাজে নিজেদের নিয়োজিত করা। আমাদের মনে রাখতে হবে শক্তিশালী সংগঠন ছাড়া অর্থপূর্ণ কাজ করা যাবে না, দেশে পরিবর্তন আনা যাবে না।
ড. কামাল আরো বলেন, যে পরিবর্তন সবাই চাচ্ছে সেটা হচ্ছে কার্যকর গণতন্ত্র।

গঠনমূলক রাজনীতির মধ্য দিয়ে এই পরিবর্তন আনতে হবে। আমাদের গঠনমূলক কর্মসূচির ভিত্তিতে যে রাজনীতি দেশে গড়ে উঠছে, তার মধ্য দিয়ে আকাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আমরা আগামীতে আনতে পারব দেশে।
উল্লেখ্য, ১৯৩৭ সালের ২০ এপ্রিল অবিভক্ত ভারতে কলকাতায় জন্ম গ্রহণ করেন কামাল হোসেন।

১৯৯২ সালে আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে এসে ১৯৯৩ সালে গণফোরাম গঠন করেন তিনি। গেলো একাদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপির সঙ্গে জোট বেধে ভোটে অংশ নেওয়ার দলটি সংসদে দুটি আসন পায়।

আমাকে মারবে – তিনি জানিয়েছেন না নিলে তিনি যেতে পারবেন না

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে যে ছয়জন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন তাদের একজন আমিনুল ইসলাম।

তিনি চাঁপাইনবাবঞ্জ-২ (নাচোল-ভোলারহাট-গোমস্তাপুর) আসন থেকে ধানের শীষ নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন।

দলীয় সিদ্ধান্তের কারণে তিনি শপথ নিতে পারছেন না। তবে তিনি জানিয়েছেন শপথ না নিলে তিনি এলাকায় যেতে পারবেন না এবং তাকে এলাকার লোকজন মারবে।

জেলা বিএনপির এই সাধারণ সম্পাদক বার্তা সংস্থা ডয়চে ভেলেকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘দল আমাকে মৌখিকভাবে শপথ নিতে নিষেধ করেছে তাই আমি নিইনি৷ এখনো সেই সিদ্ধান্তই আছে৷ নতুন করে কোনো আলোচনা নেই৷ নির্বাচনে কারচুপির কারণেই দলের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে৷’

আমিনুল বলেন, ‘আমি বড় নেতা না৷ রুট লেভেলে পলিটিক্স করি৷ মানুষ আমাকে ভোট দিয়েছে৷ তাই মানুষ শপথ না নিলে আমাকে মারবে৷ শপথ না নিলে তাঁরা আমাকে এলাকায় যেতে নিষেধ করেছে৷’ বিপদ থেকে উত্তরণে প্রতিবেদকের কাছে দোয়াও চান আমিনুল ইসলাম৷

আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘শেষ পর্যন্ত দল শপথ নেয়ার সিদ্ধান্ত না নিলে কী করব সে ব্যাপারে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নিইনি।’

বগুড়া-৪ (কাহলু-নন্দীগ্রাম) আসনে বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মোশাররফ হোসেন ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘আমি এমপি নির্বাচিত হয়েছি মাত্র৷ বড় কেনো নেতা না৷ এখন কেন্দ্রীয় নেতারা যদি শপথ নিতে বলেন শপথ নেব৷ না বললে নেবো না৷ তবে চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিলে আমরা একটা সিদ্ধান্ত নিতে পারতাম৷ শুনছি প্যারোলে বা জামিনে মুক্তির কথা৷ কিন্তু কী হচ্ছে তা কেন্দ্রীয় নেতারাই বলতে পারবেন।’

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘এর আগে আমরা নির্বাচন করিনি৷ গত টার্মে এখানে আমাদের কেউ ছিল না৷ এতদিন পর এখানে নির্বাচিত হয়েছি৷ তাই যারা ভোট দিয়েছেন, তাদের একটা চাপ আছে৷ সংসদে যান, আমাদের কথা বলেন, দেশের পক্ষে কথা বলেন, জাতির পক্ষে কথা বলেন৷ তাদেরকে আমরা বুঝিয়ে বলছি৷ দলের সিদ্ধান্তের বাইরে আমরা যেতে পারি না৷ ঐক্যফ্রন্টের দুইজন (গণফোরাম) সংসদে গেলেও আমরা যেতে পারি না৷ তাদের আদর্শ এক নয়।’

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনে নির্বাচিত হারুন অর রশীদ বিএপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব৷ তিনি ডয়চে ভেলেকে শপথ নেয়া প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমরা দলীয় সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি৷ আমরা পত্রপত্রিকায় দেখেছি ঐক্যফ্রন্ট শপথ নেবে না৷ আর দলের মহাসচিব আমাদের একদিন ডেকে বলেছেন দলের সিদ্ধান্তের বাইরে যাওয়া যাবে না৷ আমাদের চিঠি দিয়ে কিছু বলা হয়নি৷ তাই আমরা শপথ নিইনি।’

হারুন বলেন, ‘শপথ না নেয়ার দলীয় সিদ্ধান্তের মূল কারণ খালেদা জিয়ার মুক্তি নয়৷ তার মুক্তি তো পাওয়া উচিত৷ নাজমুল হুদাতো ১২ বছরের কারাদণ্ড নিয়ে বাইরে আছেন৷ মূল কারণ হলো নির্বাচনে কারচুপি৷ আসলে তো ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন হয়নি৷ আগের রাতেই  নির্বাচন হয়ে গেছে।’

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘আমরা শপথ নেবো কি না সেটা নিয়ে কেন্দ্র থেকে আমাদের এখনো কিছু জানানো হয়নি৷ আমরাও যোগাযোগ করিনি৷ ৩০ তারিখে সিদ্ধান্ত হলেও তো শপথ নেয়া যাবে৷ আর যদি দলের এই সিদ্ধান্তই বহাল থাকে তাহলে ব্যক্তিগতভাবে আমি শপথ নেবো কি না সে ব্যাপারেও এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নিইনি৷’

৩০ ডিসেম্বরের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট থেকে মোট আটজন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন৷ তাদের মধ্যে ছয়জন বিএনপির এবং দুজন গণফোরামের৷

৩০ জানুয়ারি জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসলেও ৮ মার্চ শপথ নেন মৌলভীবাজার-২ আসন থেকে গণফোরামের সংসদ সদস্য সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ৷ আর ২ এপ্রিল শপথ নেন গণফোরাম থেকে নির্বাচিত আরেকজন সংসদ সদস্য সিলেট-২ আসন থেকে নির্বাচিত মোকাব্বির হোসেন৷

কিন্তু বিএনপি থেকে নির্বাচিত ছয়জন এখনো শপথ নেননি৷ নির্বাচনের পরপরই বিএনপি তথা জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনে অনিয়ম এবং ভোট ডাকাতির অভিযোগ তুলে নির্বাচন বয়কট এবং নতুন নির্বাচনের দাবি জানায়৷ দলের নির্বাচিত এমপিরা শপথ নেবেন না বলেও জানানো হয়৷ পরে গণফোরামের দুই এমপি শপথ নিলেও বিএনপি শপথ না নেয়ার সিদ্ধান্তে অনড়৷

সংবিধান অনুযায়ী সংসদের প্রথম অধিবেশনের পরবর্তী ৯০ দিন পর্যন্ত নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ নিতে হয়৷ নয়তো আসন শূন্য হয়৷ তবে কোনো সংসদ সদস্য যৌক্তিক কারণ দেখিয়ে এই সময় বাড়িয়ে নিতে পারেন৷ কোনো আসন শূন্য হলে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচন করার বিধান রয়েছে৷

বিএনপি থেকে নির্বাচিত ছয়জন সংসদ সদস্য হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে আব্দুস সাত্তার ভুঁইয়া, বগুড়া-৬ আসনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে আমিনুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে হারুন অর রশীদ, বগুড়া-৪ আসনে মোশাররফ হোসেন এবং ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে জাহিদুর রহমান জাহিদ৷

ব্রেকিং : প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ নিয়ে এইমাত্র যে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দিলেন এইচ টি ইমাম

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান এইচ টি ইমাম বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী

শেখ হাসিনার নির্দেশে উপজেলা নির্বাচনে প্রশাসন ও পুলিশ একেবারে নিরপেক্ষভাবে পক্ষপাতহীনভাবে নির্বাচন পরিচালনায় সহায়তা করেছে।

নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আজ রোববার বিকেলে সংসদ নির্বাচনে নিজ দলের ব্যয়ের হিসাব জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

উপজেলা নির্বাচনের অনিয়ম নিয়ে কোনো কথা হয়েছে কি না?

এমন প্রশ্নের জবাবে এইচ টি ইমাম বলেন, ‘উপজেলা নির্বাচনে আমাদের দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্পষ্ট বলে দিয়েছিলেন, প্রশাসন এবং পুলিশ এরা কেউই কোনো রকম কোনো নির্বাচনে কোনো প্রভাব খাটাবেই না। এই বার্তাটি সবার কাছে চলে গেছে যে, তাঁরা একেবারে নিরপেক্ষভাবে পক্ষপাতহীনভাবে নির্বাচন পরিচালনায় সহায়তা করবেন। এই কাজটি তাঁরা করেছেন এবং নির্বাচন কমিশন সে জন্য সন্তুষ্ট।’

অনেক সংসদ সদস্য নৌকার প্রার্থীর বিপক্ষে ভোট চেয়েছেন, এ নিয়ে দলের অনেকের কাছে ব্যাখ্যাও চাওয়া হয়েছে বলে জানান এইচ টি ইমাম।

প্রধানমন্ত্রীর এ রাজনৈতিক উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা আজকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের আয়-ব্যয়ের হিসাব দাখিল করলাম। বাঙালির মুক্তিসংগ্রাম ও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আইনের শাসনে বিশ্বাসী একটি রাজনৈতিক দল। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দেশের সর্বোচ্চ আইন সংবিধানসহ প্রচলিত সব আইন ও বিধিবিধানের প্রতি সব সময় শ্রদ্ধাশীল। আমরা মনে করি কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়। রাজনৈতিক দলসহ দেশের সব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানেরই রাষ্ট্র ও রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষের কাছে জবাবদিহি থাকা প্রয়োজন।’

এইচ টি ইমাম বলেন, ‘নির্বাচনসংক্রান্ত সাংবিধানিক রেগুলেটরি কর্তৃপক্ষ নির্বাচন কমিশনের কাছে সব রাজনৈতিক দলের জবাবদিহি রয়েছে। আরপিও অনুযায়ী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সব রাজনৈতিক দলকে নির্বাচন কমিশনের কাছে নির্বাচনী ব্যয়ের হিসেব দাখিল করতে হয়। সব সংসদীয় আসনের নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার ৯০দিনের মধ্যে এই হিসাব দাখিল করার বিধান রয়েছে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের ব্যয় নির্বাচন কমিশনে দাখিল করেছি। দলের প্রার্থীরা আইনের বিধানমতে ইতিমধ্যে স্ব স্ব রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে ব্যয়ের হিসাব দাখিল করেছেন।’

কত টাকা ব্যয়ের হিসাব জমা দিলেন? জানতে চাইলে এইচ টি ইমাম বলেন, ‘এটি এখন নির্বাচন কমিশনের সম্পত্তি। এটার পাবলিক ডকুমেন্ট তাদের কাছ থেকে পেয়ে যাবেন। ইসির ওয়েবসাইটেই পেয়ে যাবেন।’

এইচ টি ইমাম বলেন, ‘২০০৮ থেকে ২০১৪ সালে নির্বাচনী ব্যয় কিছুটা বেড়েছিল। প্রতিবারই খরচ আরও বাড়ে। অন্যান্য বছর যেসব প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন, তাঁদের অনেককেই আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এবারে আর সেটি করা হয়নি। সেদিক থেকে আমাদের ব্যয় কম। আবার এবারে আমরা আয় পেয়েছি বেশি, অনেকেই অনুদান দিয়েছেন।’

এইচ টি ইমামের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য এ বি এম রিয়াজুল কবীর কাউছার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ব্যয় হয়েছে ২ কোটি ৫৩ লাখ ৯২ হাজার ৭১২ টাকা। আর নবম সংসদ নির্বাচনে ব্যয় হয়েছিল ৩ কোটি ৬০ লাখ ২৬ হাজার ৯৭৪ টাকা। একাদশ সংসদে ১ কোটি ৫ লাখ টাকার মতো ব্যয় হয়েছে।