তুরাগ নদী থেকে দুই কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার…

আশুলিয়ায় তুরাগ নদীর পাড় থেকে অজ্ঞাত পরিচয় দুই কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে মরাগাং এলাকার তুরাগ নদী থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়।

মরদেহ দুটির একজনের পরনে স্কুল ড্রেস ছিল। তাদের বয়স ১৫ থেকে ১৬ হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, বুধবার সন্ধ্যার কিছু সময় আগে তুরাগ নদীর পাড়ে দুইজনের মরদেহ দেখে স্থানীয় জেলেরা আশুলিয়া থানায় জানায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল হক দিপু বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দুটি ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নিহতরা দুজনই স্কুলছাত্রী বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তাদের পরিচয় শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হবে।

একজন পাগলও এই সূচি দেখে অবাক হবে : মাশরাফি!

সব পরিকল্পনাই ঠিক করা ছিল বাংলাদেশ দলের। প্রথম ম্যাচ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জিততে পারলে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন। সুতরাং, সুপার ফোরে বাংলাদেশ খেলবে ‘এ’ গ্রুপের রানারআপ দলের বিপক্ষে। কিন্তু এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি) সেই পরিকল্পনায় পুরোপুরি পানি ঢেলে দিয়েছে। গ্রুপ পর্বের দুটি ম্যাচ বাকি থাকতেই সুপার ফোরের সূচি নির্ধারণ করে ফেলে এসিসি। মঙ্গলবার রাতে সেই সূচি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রকাশ করে এসিসি। যেখানে দেখা যাচ্ছে, ভারতকে সুবিধা দিয়ে সূচি পুরোপুরি পরিবর্তন করে দেয়া হয়েছে।

পরিবর্তিত সূচিতে দেখা যাচ্ছে, গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশ আফগানিস্তানের বিপক্ষে জিতলেও থেকে যাচ্ছে গ্রুপ রানারআপ। কারণ, পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, সুপার ফোরের প্রথম ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে দুবাইতে। যেখানে মুখোমুখি হবে ‘এ’ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন এবং গ্রুপ ‘বি’ রানারআপ। কিন্তু এসিসি আগেই নির্ধারণ করে ফেলেছে, দুবাইতে সুপার ফোরের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হবে ভারত এবং বাংলাদেশ।

দুবাইতে সুপার ফোরের প্রথম ম্যাচ খেলতে হলে বাংলাদেশের জন্য সেটা হয়ে যাবে খুবেই কঠিন। কারণ, ২০ সেপ্টেম্বর আবুধাবিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে দিবারাত্রির ম্যাচটি শেষ করেই বাংলাদেশ দলকে ছুটতে হবে দুবাইয়ের উদ্দেশ্যে। সেখানে এসে পরদিন বিকাল সাড়ে ৩টায় আবার নেমে পড়তে হবে মাঠে। ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপর তাপমাত্রায় দুই শহরে পরপর দুইদিন দুটি ম্যাচ খেলা রীতিমত অসম্ভব একটি ব্যাপার। অথচ, এসিসি পূনঃনির্ধারিত সূচি অনুসারে এটাই এখন বাংলাদেশের জন্য বাস্তবতা।

বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা এসিসি নতুন সূচি নিয়ে বেশ বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। তিনি সরাসরি বলে দিয়েছেন, ‘এটা খুবই হতাশাজনক।’ বুধবার দুবাইর আইসিসি একাডেমিতে অনুশীলনে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে এই হতাশা প্রকাশ করেন তিনি।

মাশরাফি পরিবর্তিত সূচি নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করতে গিয়ে সরাসরি বলে দিলেন, ‘এমনকি একজন পাগলও এই বিষয়টাতে অবাক না হয়ে পারবে না।’ তিনি জানিয়ে দিলেন, পুরো দলই এ নিয়ে খুব হতাশ।

আবুধাবিতে একটি ম্যাচ খেলে পরদিনেই আবার দুবাইতে গিয়ে খেলতে হবে। ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা যেখানে রীতিমত উত্তাপ ছড়াচ্ছে। তবে ক্রিকেটারদের হতাশার সবচেয়ে বড় কারণ হচ্ছে, আগে থেকেই বাংলাদেশকে গ্রুপ ‘বি’র রানারআপ নির্ধারণ করে ফেলা। অথচ, আফগানিস্তানের বিপক্ষে এখনও মাঠেই নামেনি বাংলাদেশ।

মাশরাফি বলেন, ‘সূচি যেভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশ হয়েছে গ্রুপ রানারআপ। অথচ এখনও আমরা শেষ ম্যাচটি খেলিইনি। এটা খুবই হতাশাজনক।’

বাংলাদেশ যে একটা পরিকল্পনা নিয়ে এশিয়া কাপ খেলছে, সেই পরিকল্পনা পুরোপুরি ভেস্তে দিয়েছে এই নতুন সূচি। মাশরাফি বলেন, ‘আমাদের একটা পরিকল্পনা রয়েছে। যেটাকে সামনে নিয়ে আমরা এশিয়া কাপে খেলছি। আমাদের পরিকল্পনায় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ খেলবো এবং গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সুপার ফোরে খেলবো এ গ্রুপের রানারআপ দলের বিপক্ষে। কিন্তু আজ সকালে এসে শুনলাম, আমাদেরকে ইতোমধ্যেই গ্রুপ রানারআপ করে দেয়া হয়েছে। শেষ ম্যাচে জয়-পরাজয়ছাড়াই।’

তবুও খেলতে হবে এবং দেশের জন্য সর্বোচ্চটা দিয়ে খেলবেন বলেন জানান মাশরাফি। তিনি বলেন, ‘তবুও আমাদের খেলতে হবে। অবশ্যই, এটাও অন্য আট-দশটা আন্তর্জাতিক ম্যাচের মত আমাদের কাছে। যেখানে আমরা দেশকে প্রতিনিধিত্ব করি। তবে, আপনি যখনই সুপার ফোর কিংবা গ্রুপ পর্বের ম্যাচের কথা বলতে যাবেন- সেখানে অবশ্যই একটা নিয়ম-নীতি থাকতে হবে। যেটা দিয়ে টুর্নামেন্টটা পরিচালিত হবে। অথচ আমরা নিয়ম-নীতি থেকে সরে এসেছি। এটা সত্যিই হতাশাজনক।’

#মনুমিয়ার_বাড়ি…..

      No Comments on #মনুমিয়ার_বাড়ি…..

মনুমিয়ার খোলামেলা পরিপাটি এই বাড়িটি আপনার মনকে প্রশান্তিতে ভরিয়ে তুলবে।আহমদুল কবির মনু মিয়া ছিলেন ঘোড়াশালের জমিদার আবু ইউসুফ লুৎফুল কবির (ডাক নাম ফেনু মিয়া) এর ছেলে।
এই বাড়িটি মনু মিয়ার বাড়ি হিসেবে সবাই চিনলেও আসলে এটির প্রকৃত নাম ঘোড়াশাল জমিদার বাড়ি,এবং এই ঘোড়াশাল জমিদার বাড়িতে মোট ৩ টি জমিদার বাড়ি আছে।
১।মৌলভি আবদুল কবিরের বাড়ি।
২।নাজমুল হাসানের বাড়ি।
৩।মনু মিয়ার বাড়ি।

ঘোড়াশাল জমিদার বাড়ি সকলের অগোচরে মনু মিয়ার জমিদার বাড়ি নামে পরিচিত হয়ে উঠেছে। অপরিচিতদের জন্য ঘোড়াশাল জমিদার বাড়ির চেয়ে মনু মিয়ার জমিদার বাড়ি নামে খুঁজে পাওয়াটা অপেক্ষাকৃত সহজ। স্থানীয়রা এনামেই ভালো চেনেন। গুগল ম্যাপে ঘোড়াশাল জমিদার বাড়ি- মিয়া পাড়া রোডে, মনু মিয়ার জমিদার বাড়ি নামে দেখায়।
মনুমিয়ার এই বাড়িটি দেখে আর্কিটেক্ট নাজমুল ভাট স্বপ্ন ভাইয়ের কথা মনে পড়ে গেল।বাড়ির পরিবেশ যদি খোলামেলা না হয়,বাতাস যদি ঘরের ভিতরে না প্রবেশ করে,মানুষের দৃষ্টি যদি বাড়িতে না আটকায় তাহলে সেটা ডিজাইন হয় কিভাবে।খোলামেলা আর গাছ-গাছালিই মনুমিয়ার জমিদার বাড়ির অন্যতম বৈশিষ্ঠ।ভেতরের পরিবেশ দেখলেই বোঝা যাই যে বাড়ির মাকিল কতটা রুচিশীল এবং আরাম আয়েশ প্রিয় ব্যক্তি ছিলেন।প্রায় দশ একর জাইগা জুড়ে এই জমিদার বাড়ির বাইরে থেকে বোঝার কোন উপায় নায় ভেতরে যে কি অপরূপ সৌন্দর্য অপেক্ষা করে আছে।ভেতরে ঢুকতেই বাম পাশের মসজিদটির দিকে সর্ব প্রথম নজর পড়বে।প্রতিটি বাড়িই অসাধারণ কারুকাজ আর সাদা রঙে রাঙায়িত।সেই সাথে সবুজ ঘাস এবং গাছ পালার বিস্তৃতি এক অপরূপ সৌন্দর্যে রুপ দেয়।ভেতরে রয়েছে আলিসান ভাবে শান বাধানো দুইটি পুকুর।রহেছে অসংখ্য ল্যাম্প পোস্ট।রহেছে বহু ফুলের গাছ এবং ৪ প্রকার কাঠ গোলাপ ফুলের গাছ।কোন ভাবেই বোঝার উপায় নায় যে এটির বয়স হয়েছে।

যাতায়াত মাধ্যমঃ
১।ঢাকার মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে #উত্তরা_পিপিএ_ বাদশা,এবং আরো কিছু বাস টুংগি আব্দুল্লাহপুর হয়ে ঘোড়াশাল হয়ে নরসিংদী যাই।আপনারা ঘোড়াশাল নেমে যে কাউকে জিজ্ঞাসা করলেই দেখিয়ে দেবে।(ভাড়া ৭০-৮০)টাঁকা।
২।ট্রেন ব্যবস্থাঃকমলাপু রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে সকাল ৮.৩০ মিনিটে কর্নফুলি ট্রেন ছেড়ে যায়।আপনারা ঐ ট্রেনে উঠে চলে যান।ঘোড়াশাল নামবেন ২০-২৫ টাঁকা ভাড়া নিবে আমরা এয়ারপোর্ট থেকে গিয়েছিলাম ২০ টাঁকা ভাড়া নিয়েছিল।নেমে যে কাউরেই জিজ্ঞাসা করবেন দেখিয়ে দিবে।এবং আসার সময় বাসে করে চলে আসবেন কারন আসার ট্রেন সন্ধ্যায় ঘোড়াশালে আসে।(আমি বলবো গেলে ট্রেনেই যাবেন কোন ঝামেলা না,একেবারেই রিলাক্স সিট পাবেন কনফার্ম।ছুটির দিন ব্যাতিত)

খাবার দাবারঃভালোমত কোন খাবার হোটেল/রেস্টুরেন্ট চোখে পড়ে নায়,তবুও খেয়ে নিতে পারবেন।

ঝামেলাঃআপনারা দুই নম্বার এবং ৩ নং বাড়িটা দেখতে তেমন কোন সমস্যায় পড়বেন না, তবে গিয়ে প্রবেশের এবং ছবি তোলার অনুমতি নিয়ে নিবেন।আর ১ নং বাড়িটা ভাগ্য ভালো থাকলে দেখতে পারবেন না থাকলে পারবেন না।গেটে দারোয়ান থাকে আবার থাকে না এমন।উনি সব সময় ভিতরে থাকে।আমার ২৫ মিনিট মত অপেক্ষা করা লাগছিল।

সতর্কতাঃ

১.এটা কোন টুরিস্ট স্পর্ট না তাই,দলবল নিয়ে না গিয়ে ২/৩ জন মিলে যান সব দিক থেকে সুবিধা আর ঘোরাফেরাও ভালো লাগবে,দলবল নিয়ে গেলে ঢুকতে নাও দিতে পারে।

২….#ভ্রমনে আপনার দ্বারা সৃষ্ঠ ময়লা আবর্জনা একান্তই আপনার ব্যক্তিগত সম্পদ,তাই অন্যকে প্রদর্শনের জন্য যেখানে সেখানে না ফেলে নিদির্ষ্ট স্থানে ফেলুন।
ঘুরে আসতে না পারলে অগ্রিম মন ভরাতে চাইলে এই লিংকের ছবিগুলো দেখে আসতে পারেন.

source: Azizul Islam <Travelers of Bangladesh (ToB)

কিশোররা কী চেয়েছিল আর বুড়োরা কী দিলেন…

নিরাপদ সড়কের দাবিতে হাজার হাজার কিশোর-কিশোরী রাস্তায় নেমে এলো। বাংলাদেশে সে এক অভূতপূর্ব দৃশ্য। যেন বাগানের চারাগাছগুলো দলে দলে রাস্তায় নেমে আসছে। কিন্তু কী চেয়েছিল তারা আর কী পেয়েছে? এই চাওয়া-পাওয়া ও না-পাওয়ার হিসাবের খেরোখাতার ভবিষ্যৎই বা কী? সম্প্রতি ঢাকার কিশোর বিদ্রোহ ও পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে বিশ্লেষণ করেছেন

শিরোনামটাকে একেবারে আক্ষরিকভাবে নেওয়ার দরকার নেই। কেননা যারা প্রত্যক্ষভাবে হামলা চালিয়েছিল, তারাও বয়সে অনেকে তরুণই ছিল। আবার জেগে ওঠা কিশোরদের পক্ষে দাঁড়িয়ে হামলা-মামলা-নির্যাতনের শিকার হয়েছেন অনেক বয়স্করাও। ফলে তারুণ্যকে শুধু বয়স দিয়ে নয়, চিন্তা দিয়েও বুঝতে হবে। যে কিশোররা রাস্তায় নেমেছিল, তারা এখানকার জীর্ণ, পুরনো অভ্যস্ততাকে ভেঙে ফেলতে চেয়েছিল, ফলে আকাঙ্ক্ষায়ও তারা নবীন, তরুণ, জীবন্ত। তাদের পক্ষে, তাদের ডাকে সাড়া দিয়ে যে বয়স্করা নেমেছেন, তাঁরাও নতুনের পক্ষে, জীবনের পক্ষেই দাঁড়িয়েছেন। আর আক্রমণকারী তরুণরা নেমেছেন পুরনো, নিপীড়ক ব্যবস্থাকে রক্ষায়, আর ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত বয়স্কদের নির্দেশেই।

এই যে হাজারে হাজারে কিশোর স্কুলড্রেস পরে রাস্তায় নেমে  এলো, সে এক অভূতপূর্ব দৃশ্য বাংলাদেশে। যেন বাগানের চারা গাছেরা দলে দলে রাস্তায় নেমে আসছে। কী চেয়েছিল তারা? নিজে নিজে কল্পনা না করে বরং তাদের স্লোগান, কথা থেকেই আসুন জেনে নেওয়ার চেষ্টা করি, তারপর না হয় তার বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করা যাবে। এই আন্দোলনে সবচেয়ে বেশিবার উচ্চারিত দাবি ছিল—নিরাপদ সড়ক চাই, ন্যায়বিচার চাই, ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’। কিন্তু এখানেই তাদের দাবি, প্রশ্ন, স্লোগান থেমে থাকেনি। তারা এগুলোকে নানা ভাষায় প্রকাশ করেছে তো বটেই, অন্য নানা বিষয়ও তারা তুলে ধরেছে। তারা স্লোগান দিয়েছে—‘৪৭ বছরের রাষ্ট্র মেরামতের কাজ চলছে, সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখিত।’ ‘ঘুষখোর পুলিশ চাই না।’ ‘জনপ্রতিধিদের অন্তত তিন দিন গণপরিবহনে যাতায়াত করতে হবে।’ ‘গণপরিবহনে যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধ চাই।’ ‘যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের গাড়ির লাইসেন্সের ডেট ফেল কেন?’ ‘প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকলে গাড়ি আটকান, আমরা গাড়ি আটকাই না।’ ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ চাই না, নিরাপদ বাংলাদেশ চাই।’ ‘এত জিপিএ ৫ দিয়ে কী হবে, একদিন তো বাসের তলায়ই পড়তে হবে।’ ‘৯ টাকায় ১ জিবি ডাটা নয়, নিরাপদ সড়ক চাই।’ এমনকি তারা প্রশ্ন তুলেছে, ‘প্রধানমন্ত্রী, লাইসেন্স কই?’ আর তাদের এই আন্দোলনের প্রক্রিয়ায়ই রচিত হয়েছে এমন এক স্লোগান, যা হয়ে উঠেছে সময়ের মহত্তম কবিতা— ‘যদি তুমি ভয় পাও, তবে তুমি শেষ যদি তুমি রুখে দাঁড়াও, তুমি বাংলাদেশ।’  আর তারা শুধু স্লোগান তুলেই ক্ষান্ত হয়নি, কাজটা করে দেখিয়ে দিতে চেয়েছে। ওরা রাস্তায় গাড়ির লাইসেন্স চেক করেছে, মন্ত্রীর গাড়ি রাস্তার উল্টো পথ থেকে ঘুরিয়ে সোজা পথে ফিরিয়ে দিয়েছে, পুলিশের গাড়ির লাইসেন্স চেক করেছে। সেলিব্রিটি, নিজের মা-বাবা—কেউই ছাড় পায়নি। ঢাকার রাস্তায় সারি বাঁধা গাড়ি, ইমার্জেন্সি লেনের বাস্তবায়ন করে দেখিয়েছে। তারা নাগরিকদের মধ্যে ভেদাভেদবিহীনভাবে আইন প্রয়োগের দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে। এই আন্দোলনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—তাদের এই কার্যক্রম মানুষ কিভাবে গ্রহণ করেছে, সেটি। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা গেছে, মানুষ হাসিমুখে তাদের এই কর্তৃত্বকে স্বাগত জানিয়েছে। এমনকি সেনা সদস্যদেরও হাসিমুখে সেটি মেনে নিতে দেখা গেছে। বহুজন খাবার, পানি নিয়ে এই কিশোরদের সহায়তায় এগিয়ে এসেছেন। অনেককেই দেখেছি গাড়ির লাইসেন্স ঠিক নেই, ডেট শেষ হয়ে গেছে ফিটনেস সার্টিফিকেটের বা এ রকম কোনো কারণে গাড়ি বেরই করেননি, পাছে বাচ্চাগুলোর কাছে লজ্জা পেতে হয়। অথচ এই আন্দোলনের ওপর আক্রমণ করে, ভয় দেখিয়ে নির্মমভাবে তা বন্ধ করে দেওয়ার পর সরকার পুলিশ সপ্তাহ চালু করে, তাকে আরো এক সপ্তাহ বর্ধিতও করে। তাতে বহুজনকে জরিমানাও করা হয়, কিন্তু এর কোনো কিছুই তেমন কোনো ফল দেয়নি। যার সরল অর্থ দাঁড়ায়—মানুষ আইন প্রয়োগকারী হিসেবে এই জাগ্রত কিশোরদের যেভাবে ভালোবাসা, সম্মান আর আস্থায় নিয়েছে, তা রাষ্ট্রের আইন প্রয়োগকারী সংস্থা সেই আস্থায় নেয়নি। এই নিষ্পাপ কিশোরদের কাছে লজ্জা পাওয়ার আছে, কিন্তু ঘুষখোর পুলিশকে লজ্জা পাওয়ার কোনো কারণ কি আছে? আসলে যখন গোটা বাংলাদেশকেই ভয় দেখিয়ে, নানা সুবিধা দিয়ে চুপ করিয়ে রাখা হয়েছে, তখন ভয়কে জয় করা এসব ভয়ভীতি আর সুবিধার বাইরে সমাজের সবচেয়ে নিষ্পাপ অংশই রুখে দাঁড়িয়েছে। জীবনের দাবি নিয়ে, প্রাণের দাবিতে রাস্তায় নেমে এসেছে। হাজারে হাজারে, কাতারে কাতারে। বাংলাদেশের নতুন সংজ্ঞা দাঁড় করিয়েছে তারা। আমি, তুমি, আমরা যখন রুখে দাঁড়াই—তখন আমরাই বাংলাদেশ। যারা ভয় দেখায়, যারা মেরে ফেলে, মানুষের মৃত্যুতে যারা দাঁত কেলিয়ে হাসে, এটাকে জায়েজ করতে নানা ভেক ধরে, তারা বাংলাদেশ নয়। এই আন্দোলন আমাদের আশা জাগায়—বাংলাদেশে নতুন একটা ইতিহাস রচিত হতে চলেছে, আর তা এই কিশোরদের হাত ধরে।

ইতিহাস কখনো থামে না, ইতিহাস নিরন্তর বয়ে চলে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে। স্কুলড্রেস পরে রাস্তায় নেমে আসা এই কিশোররাই ইতিহাসের নতুন কাণ্ডারি। আসলে এগুলোর মাধ্যমে ওরা ওদের বাংলাদেশত্বকেই হাজির করছে। ক্ষমতাসীনদের ক্ষমতার তলায় যেভাবে এ দেশের মানুষ তাদের নাগরিক অধিকার হারায়, তার অবসান দাবি করেছে কিশোররা। ওরা দাবি তুলেছে ন্যায়বিচারের—‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস।’ আসলে দেশের নাগরিক, তার আসল মালিক হিসেবে তার দাবিকে, রাষ্ট্র পরিচালনায় তার অধিকার, তার কর্তাসত্তাকে সে ফেরত চাইছে। তাদের কর্মকাণ্ডের ভেতর দিয়ে তারা তার প্রকাশ করেছে। আর এই নাগরিক মর্যাদা, তার কর্তাসত্তা থেকে রাষ্ট্র তাকে বঞ্চিত করেছে, করে যাচ্ছে। এই অধিকার ফেরত চাওয়াকে তারা রীতিমতো একটা হুমকি হিসেবে বিবেচনা করে তাদের ওপর আক্রমণ চালিয়েছে।

রাষ্ট্র তার পক্ষপাত খোলাখুলি প্রকাশ করে ফেলেছে আক্রমণকারীদের শাস্তি না দিয়ে, বরং আক্রান্তদেরই গ্রেপ্তার করে। তাদের পক্ষে দাঁড়ানো মানুষদের নানাভাবে হেনস্তা করে। আলোকচিত্রী শহীদুল আলমকে এখনো গ্রেপ্তার রাখা হয়েছে, ছাত্রনেতা মারুফকেও এখনো ছাড়া হয়নি। আর আন্দোলনের পরই শুরু হয়ে গেছে আন্দোলনকারীদের রাজনৈতিক সংযোগ খোঁজার। যদিও সেটি পাওয়া যায়নি; কিন্তু গোটা ব্যাপারটার মধ্যেই এমন একটা বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে যে রাজনীতিসংশ্লিষ্টতা নিজে নিজেই একটা বিশাল অপরাধ। জনগণ সরকারি দল ছাড়া অন্য কোনো দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকার অধিকার রাখে না। যেন বা রাষ্ট্র হবে রাজনীতিমুক্ত, জনগণের রাজনীতি করার কোনো অধিকার নেই। বিদ্রোহী কিশোরদের ওপর হেলমেট বাহিনী দিয়ে আক্রমণই হলো সঠিক ধারার রাজনীতি, এর বাইরে বাকি সবটা হলো অপরাধ।

এই আন্দোলনে আরেকটি বিশেষ বিষয় ছিল স্লোগানের অভিনবত্ব। এই কিশোররা যে আন্তর্জাতিক নানা সংগ্রাম, চিন্তার নতুন ধারণার সঙ্গে পরিচিত হয়েছেন বা হচ্ছেন—সেটিও এই আন্দোলনের ভেতর দিয়ে প্রকাশিত হয়েছে। ঢাকার রাস্তায় সদ্যঃকৈশোর পেরোনো একজন অ্যানোনিমাস আন্দোলনকারীর দেখা মিলেছে এই আন্দোলনে। ‘তুই আমারে চেনছ’-এর জমিদারি কর্তৃত্বের বিরুদ্ধে অপরিচিত, সাধারণ হওয়ার অধিকার পাওয়ার এই দাবি বিদ্যমান ক্ষমতাকাঠামোকেই প্রশ্নের মধ্যে ফেলে দেয়। স্বতঃস্ফূর্তভাবে নানামুখী সহজ অথচ অন্তর্ভেদী সব স্লোগান আবিষ্কার করেছে এই কিশোররা। যদিও মোট স্লোগানের তুলনায় তা সংখ্যায় নগণ্য, তবু দেখা যাবে, তারা সেখানে খিস্তিও ব্যবহার করেছে। সেটিকেই বড় করে তুলে এই আন্দোলনকে কালিমালিপ্ত করতে চেয়েছে সরকারি বুদ্ধিজীবীকুল। অথচ প্রতিনিয়ত যে রাষ্ট্র তাকে বঞ্চিত করে যাচ্ছে, তাকে অবদমিত করে রাখছে, তাকে কাঠামোগত বা সরাসরি খুনের শিকার করছে, তার বিরুদ্ধে তার পুঞ্জীভূত ক্ষোভেরই বহিঃপ্রকাশ ঘটাচ্ছে তারা স্লোগানে স্লোগানে। রাষ্ট্রের ভয় দেখানোর যন্ত্রটাকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করতেই তারা গালি ব্যবহার করছে। যে লাঠির ভয় তাদের দেখানো হয়, তাকে উল্টো ‘ভরে’ দেওয়ার স্লোগান তারা দিয়েছে, যে পুলিশ দিয়ে তাদের মার খাওয়ানো হচ্ছে, তাদের তারা ‘চ্যাটের বাল’ আখ্যা দিচ্ছে। হুমকিকে থোড়াই পরোয়া করার বেপরোয়া সাহসের এই প্রকাশ এত সহজে আর কোনোভাবে করা যেত বলে মনে হয় না। কিন্তু খেয়াল করে দেখলে দেখা যাবে, এর কোনোটাই অন্যের প্রতি ফ্যাসিস্ট আক্রমণের ভাষা নয়; বরং তার ওপর চলে আসা নির্যাতনের প্রতিবাদমাত্র। ‘একটা-দুইটা শিবির ধর, ধইরা ধইরা জবাই কর’—এর মতো ফ্যাসিস্ট স্লোগান তারা দেয়নি। তারা শুধু রাষ্ট্রের ভয় দেখানোকেই প্রত্যাখ্যান করেনি, তথাকথিত উন্নয়নের চটককেও প্রত্যাখ্যান করেছে। আবার এই ছাত্ররাই ধানমণ্ডিতে রাস্তার কাচ পরিষ্কার করেছে, যাতে পথচারীরা আহত না হয়। সায়েন্সল্যাবে তাদের বাধা দিতে আসা পুলিশদের সবাইকে ফুল দিয়ে বরণ করে সহনশীলতার প্রকাশ ঘটিয়ে তাদের হতবুদ্ধি করে দিয়েছে। তারা ঢাকা শহরের পরিবহন নিয়ে যেসব প্রস্তাব দিয়েছে, সমাধান হাজির করেছে, তার আলোকে ঢাকার যানজট ও পরিবহন সমস্যারও সমাধান সম্ভব।

অর্থাৎ এই আন্দোলনের মেসেজটা পরিষ্কার। নিজের অবদমন, আর ভয়কে জয় করো, জীবনের পক্ষে, মানুষের পক্ষে, ভালোবাসা নিয়ে দাঁড়াও। ঢাকঢোল পেটানো উন্নয়নের চেয়ে জীবন গুরুত্বপূর্ণ। রাষ্ট্র পরিচালনায় জনগণের অংশগ্রহণের অধিকার হরণ চলবে না। আমি, আপনি, আমরাই বাংলাদেশ, আমরাই ঠিক করব এ দেশ কিভাবে চলবে। সে জন্য রাস্তায় নামতে হবে, সক্রিয় হতে হবে। আর এই পথটা আসলে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পথ, তার ঘোষণার অঙ্গীকার। এই পথ গোটা বাংলাদেশের সামনে স্পষ্ট করেছে এই কিশোররা, তারা এই পথের দিশারি। বুড়োরা ভয় পায়, তাই ভয় দেখায় এবং সেই ভয় সবার মধ্যে ছড়িয়ে দিতে চায়। কিন্তু শত শত পুলিশের সামনে একজন বুক চিতিয়ে দাঁড়ানো কিশোর আমাদের সাহস জোগায়। আর জনতার শক্তি একত্র হলে একটা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা সড়কে যেমন সম্ভব, গোটা দেশেও সম্ভব—সেই আস্থা জোগায় সবার মনে। আজ তারা গাড়ির লাইসেন্স চেক করছে, আর গোটা বাংলাদেশকে আহ্বান জানাচ্ছে দেশ পরিচালনার লাইসেন্স চেক করার। বড়রা তাতে ব্যর্থ হলে আজ না হোক কাল এই কিশোররাই তা করে দেখাবে। আজকের এই লড়াই তাদের ভেতর একটা দীর্ঘস্থায়ী ছাপ রেখে যাবে নিঃসন্দেহেই। একটা আপাতপরাজয় নতুন বিজয়ের পথ তৈরি করবে। জেগে ওঠা কিশোর, তরুণদের অভিনন্দন। তারাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ।

রাস্তায় নেমে আসা এই কিশোররাই ইতিহাসের নতুন কাণ্ডারি

ঢাকার রাস্তায় সার বাঁধা গাড়ি। তারা নাগরিকদের মধ্যে ভেদাভেদবিহীনভাবে আইন প্রয়োগের দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে

আন্দোলন-পরবর্তী চিত্র। কার্যত কোনো পরিবর্তন নেই। রাজধানীজুড়ে সেই পূর্বাবস্থার পুনরাবৃত্তি।

কাবা শরীফের ভেতরে প্রবেশের সুযোগ পেলেন ইমরান (ভিডিও)

মঙ্গলবার সৌদি পৌঁছেছেন ইমরান খান। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটা তাঁর প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর। আজ বুধবার  পবিত্র ওমরাহ হজ পালন করেছেন তিনি।

এ সময় ইমরান খানের জন্য পবিত্র কাবা শরীফের দরজা খোলা হয়। পবিত্র কাবা শরীফের ভেতরে প্রবেশ করার সুযোগ পান তিনি।

সবার জন্য কাবা শরীফের ভেতরে প্রবেশের অনুমতি মেলে না। কিন্তু এই বিরল সুযোগ পেলেন ইমরান খান। সে সময় তিনি মুসলিম বিশ্বের জন্য দোয়া করেন।

উল্লেখ্য, বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজ আল সৌদ এবং ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের আমন্ত্রণে সৌদি আরব সফরে গেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।

এখন ওমরাহ ভিসাতেই ভ্রমণ করা যাবে সৌদির সব শহর…

সৌদি আরবের ট্যুরিজম অ্যান্ড ন্যাশনাল হেরিটেজ কমিশনের প্রধান প্রিন্স সুলতান বিন সালমান এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছেন। আর এ পদক্ষেপটি হলো, ওমরাহ পালনাকারীরা তাঁদের ভিসাকে ওমরাহ ভিসা থেকে ভ্রমণ ভিসায় পরিবর্তিত করতে পারবেন। এবং ওমরাহ পালন শেষে তাঁরা সৌদি আরবের নানা দর্শনীয় স্থান ভ্রমণ ও কেনাকাটা বা চিকিৎসাসেবা নিতে পারবেন।

উল্লেখ্য, এর আগে সৌদি আরবে ওমরাহ পালনকারীদের জন্য দেশটির অন্যান্য শহরে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা ছিল। এই ঘোষণার মাধ্যমে সেই নিষেধাজ্ঞা উঠিযে নেওয়া হয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

‘মুসলিম রাষ্ট্রটির ঐহিহ্যকে দেখ’ স্লোগানের এই পদক্ষেপটি দুই বছর আগেই নেওয়া হয়েছিল। তবে এটি বাস্তবায়নের শেষ পদক্ষেপটি গত রবিবার নেওয়া হয় কমিশনের পক্ষ থেকে।

সৌদি আরবের রিয়াদে অনুষ্ঠিত লঞ্চিং অনুষ্ঠানের প্রেস কনফারেন্সে প্রিন্স সুলতান বলেন, এটা ওমরাহ পালনাকারীদের জন্য একটি সুযোগ বলা যেতে পারে। এর মাধ্যমে তাঁরা সৌদি আরবের মুসলিম ঐতিহ্য, নানা দর্শনীয় স্থান থেকে শুরু করে নান্দনিক শপিং সেন্টার- সবই দেখতে পাবেন।

তিনি আরো বলেন, ওমরাহ শেষ করার পর তাঁরা তাঁদের প্রয়োজনীয় নানারকমের ভ্রমণগুলো শেষ করে নিতে পারবেন।

এই কার্যক্রমটিতে ট্যুরিজম অ্যান্ড ন্যাশনাল হেরিটেজ কমিশনকে সহায়তা করবে সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র ও হজবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করাই এখন সরকারের একমাত্র কাজ: রিজভী!!

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘বর্তমান অবৈধ সরকার সব কাজ বাদ দিয়ে এখন একটা কাজই করছে, তা হলো দেশজুড়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের গণমামলা ও গণগ্রেফতার করছে।’

বুধবার দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ‘ভোটারবিহীন সরকার নিজস্ব ভঙ্গিতে একটা অভিনব নির্বাচন করতে চাচ্ছে। নির্বাচনের শিডিউল ঘোষণা হবে, মনোনয়নপত্র জমা, বাছাই, প্রত্যাহার এমনকি ভোটগ্রহণের দিনও এসে পড়বে, শুধু ভোটকেন্দ্রে ভোটার থাকবে না। আর বিএনপিসহ বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের থাকতে হবে কারাগারে অথবা পলাতক।’

তিনি বলেন, গতকালও (মঙ্গলবার) বানোয়াট ও অসত্য মামলা দেয়া হয়েছে, আসামি করা হয়েছে ৪৩২ জনকে। হাবিব উন নবী খান সোহেলসহ দেশব্যাপী ৯৩ জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এখন পান থেকে চুন না খসলেও শুধু অজানা ভয়ে সরকারের পুলিশ বাহিনী নির্বিচারে গ্রেফতার করে। আসলে আগামী নির্বাচন নিয়ে নেপথ্যলোকের বার্তাই হচ্ছে একতরফা নির্বাচন। আর সেজন্যই দেশব্যাপী বিএনপির নেতাকর্মীদের ছেঁকে তুলতে বিশাল জাল বিস্তার করা হয়েছে। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ছড়ানো আতঙ্কের নীরবতার আড়ালে জনগণের সোচ্চার উচ্চারণ সংগঠিত হচ্ছে। আর এই আওয়াজ হিংসা ও গণতন্ত্র বিনাশকারী অপশক্তির বিরুদ্ধে বিজয় না হওয়া পর্যন্ত চলতেই থাকবে।

বিএনপির এই নেতা অভিযোগ করে বলেন, ‘গতকাল বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম-মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেলকে গ্রেফতারের পর ডিবি কার্যালয়ে নেয়া হলে কয়েকজন আইনজীবীসহ নেতাকর্মীরা তাকে সেখানে দেখতে যায়। সেখান থেকে পুলিশ কয়েকজন আইনজীবীসহ বেশ কিছু নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে। বর্তমান সরকার ও সরকারের আজ্ঞাবহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কতটা হিংস্র অমানবিক ও হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হতে পারে যে, রাতে সোহেলের ওষুধ পর্যন্ত ভেতরে নিতে দেয়া হয়নি।’

তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার চিকিৎসা সেবা দিতে নানাভাবে বাধা দিচ্ছে সরকার। দেশনেত্রীকে আগে নিয়মিত ফিজিওথেরাপি দিতেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের একজন সিনিয়র অভিজ্ঞ থেরাপিস্ট। পরে তাকে পরিবর্তন করে সরকারদলীয় মনোভাবাপন্ন একজন নতুন অনভিজ্ঞ থেরাপিস্টকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে, যা রহস্যজনক।

তিনি আরো বলেন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবেই বেগম জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের মেডিকেল বোর্ডে রাখা হয়নি। এ জন্যই আমরা দেশনেত্রীর অসুস্থতা নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন ও উৎকণ্ঠিত।

রিজভী বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসন গুরুতর অসুস্থ হলেও এখনও তার পছন্দ অনুযায়ী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়নি কিংবা সুচিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। এতে প্রমাণ হয়, সরকার বেগম খালেদা জিয়ার জীবন নিয়ে কোনো গভীর চক্রান্ত চালাচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘বহুল আলোচিত ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) কেনার প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে সরকার। গতকাল জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় তাড়াহুড়া করে ৩৮২৫ কোটি টাকার এ প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়। হরিলুটের সরকার আওয়ামী জোট সরকার। ব্রীজ, কালভার্ট, সড়ক-মহাসড়ক, উড়াল সেতু নির্মাণে মাত্রাতিরিক্ত ব্যয় বৃদ্ধি করে জনগণের টাকা লোপাট করে যাচ্ছে ক্ষমতাসীন দলের লোকেরা। অবৈধ সরকার দলীয় লোকদের আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বানাতে রাষ্ট্রীয় অর্থভাণ্ডার ডাকাতির সুযোগ করে দিয়েছে।’

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী, যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতা জাহাঙ্গীর হাওলাদার,এসএম জাহিদুল হাসান প্রমুখ।

রক্ত মাখা ছুরি-নুপুর ও স্কুল ছাত্রীর ২ টুকরো মাংস উদ্ধার!

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ৯ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে হত্যার পর লাশ গুমের ঘটনা ঘটেছে বলে সন্দেহ এলাকাবাসীর। ওই স্কুল ছাত্রীর শোবার ঘর থেকে রক্ত মাখা দু’টি ছুরি, তার ব্যবহৃত পায়ের নুপুর এবং দুই টুকরো মাংস ছাড়া জীবিত বা মৃত ওই ছাত্রীর কোন হদিস বের করতে পারছে না কেউ। ঘরের বেড়াসহ বিভিন্ন স্থানে রক্তে ভেসে গেলেও প্রকৃত ঘটনা কি হয়েছে পরিবারের কারও জানা নেই।

ঘটনাটি ঘটেছে কুয়াকাটা খানাবাদ কলেজ সংলগ্ন একটি বাড়িতে বুধবার ভোর রাতের দিকে। থানা পুলিশের ধারনা হত্যাকাণ্ডের ঘটনা শেষে লাশ গুম করে ফেলা হয়েছে।

মহিপুর থানা পুলিশ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতের খাবার খেয়ে মৃত বাবুল মল্লিকের স্ত্রী নুরজাহান (৪০) তার দুই সন্তান শিশুপুত্র হামিম (৩) ও মেয়ে মহিপুর হাই স্কুলের ৯ম শ্রেণির ছাত্রী মরিয়ম (১৫) এক খাটে ঘুমায়। ঘরের দোতলায় নুরজাহানের বড় মেয়ে রেশমা (১৯) তার স্বামী মাঈনুলকে নিয়ে ছিল। রাত তিনটার দিকে রেশমা প্রকৃতির ডাকে সারা দিতে বাইরে নেমে ঘরে ওঠার সময়ও বোন মরিয়মের সাথে কথা বলেছে। এরপর সকালে মা নুরজাহান বেগমের ডাক চিৎকারে ঘরের সবার ঘুম ভাঙ্গে মরিয়মকে না পাওয়া এবং ঘরের বিভিন্ন জায়গা রক্ত দেখে।

মহিপুর থানা পুলিশ খবর পেয়ে বুধবার সকাল সাড়ে ৫টায় ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক (তদন্ত) মাহবুবুর রহমান বলেন, রক্ত মাখা দু’টি ছুরি ও মরিয়মের ব্যবহৃত পায়ের নুপুর এবং দুই টুকরো মাংস ঘরের মেজেতে পাওয়া গেছে। জীবিত বা মৃত কোনভাবেই মেয়েটির সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। ঘরের বেড়াসহ বিভিন্ন স্থানে রক্তে ভেসে গেলেও পরিবারের কেউ টের না পাওয়ার বিষয়টিও রহস্যজনক। ধারনা করা হচ্ছে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। প্রকৃত ঘটনার অনুসন্ধান করা হচ্ছে।

স্থানীয় লোকজনের মতে, মরিয়মকে দুর্বৃত্তরা হত্যা করে লাশ গুম করেছে। তাদের মতে, রেশমা রাতে ঘরের দরজা খুলে বাইরে আসার সুযোগে দূর্বৃত্তরা ঘরে ঢুকে লুকিয়ে ছিল। এরপর সুযোগ বুঝে তাদের মিশন সম্পন্ন করেছে। সব মিলিয়ে স্থানীয়দের মনে নতুন করে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

যেকারনে টিকিট বিক্রি করে দিচ্ছেন ভারতীয় দর্শকরা!

পাকিস্তান ভারত ক্রিকেট লড়াই মানেই চারদিকে সাজ সাজ রব। ব্যাট বলে লড়াই ছাড়া মাঠে খেলোয়াড়দের মধ্যে যতই সম্প্রীতি থাক না কেন, দর্শকদের অনেকেই যুদ্ধংদেহী। ম্যাচের কয়েকদিন আগ থেকেই কে কিভাবে খেলা দেখবে তাই নিয়ে প্রস্তুতি। দুবাইয়ের স্টেডিয়ামে আরেকটি লড়াই উপভোগ করেতে মুখিয়ে সবাই।

দুবাইয়ের গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ম্যাচের উত্তাপ বাড়বে বুঝে গিয়েই হয়তো বিশেষ একটা ব্যবস্থা করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রশাসন। ভারত আর পাকিস্তানি দর্শকদের বসার জায়গা আলাদা আলাদা করে দিয়েছে রং অনুযায়ী। গ্যালারিতে ‘অরেঞ্জ জোন’ ভারতের, ‘গ্রিন জোন’ পাকিস্তানের। মাঠের বাইরে যত মেলামেশাই চলুক না কেন, মাঠের মধ্যে ভারত-পাক দর্শকদের কোনও মিশ্রণ চায় না তারা।

তবে দর্শকদের এই উন্মাদনায় কিছুটা হলেও পিছিয়ে ভারত, কারণ একটাই দলের সবচেয়ে বড় তারকা আর সবচেয়ে বড় নির্ভরতার প্রতীক বিরাট কোহলি দলে নেই। কোহলি নেই বলে ভারতীয়দের অনেকেই মনে করছেন ভারত চির প্রতিদ্বন্দ্বীর সাথে সমান তালে লড়াই করতে পারবে না।

ভারতীয় ব্যাটিংয়ের মেরুদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করা হয় যাকে- এমন হাই ভোল্টেজ ম্যাচে তার না থাকাটা মেনে নিতে পারছেন না অনেক দর্শক। কেউ কেউ তো সে কারণ টিকিট বিক্রিও করে দিয়েছেন।

এমনিতেই বিরাট কোহালি না খেলায় দুবাইয়ের প্রবাসী ভারতীয়দের অনেকেই ধরে নিয়েছেন, এই ম্যাচটা ভারত হারবে। আর সেই আতঙ্কে তাঁদের কেউ কেউ যে কাজটা করেছেন, তা বেশ অভিনব। স্থানীয় ক্রিকেট ক্লাব ‘দুবাই রেকার্স’ এর কোচ সুদীপ চট্টোপাধ্যায় এক যুগেরও বেশি এখানে আছেন। তিনি বলছিলেন, ‘এ বার অদ্ভুত একটা জিনিস দেখছি। বিরাট কোহালি খেলবে না বলে অনেক ভারতীয় বুধবারের ম্যাচের টিকিট বিক্রি করে দিয়েছে। এরা ধরেই নিয়েছে ভারত পারবে না। তাই গ্যালারিতে বসে পাকিস্তানের জয় দেখতে যাবে না।’

সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের যা ফর্ম তাতে ক্রিকেট বোদ্ধাদের অনেকেই এগিয়ে রাখছেন পাকিস্তানকে। তার ওপর ভারতীয় দলে নেই অধিনায়ক বিরাট কোহলি। তাই দর্শকরা হয়তো আগেই আরেকটি পরাজয় দেখার মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন।

মোবাইলের নতুন কলরেট নিয়ে প্রতিবাদ…

বাংলাদেশে মোবাইল ফোনে অতিরিক্ত কল চার্জ করা হচ্ছে যা গ্রাহকদের জন্য বাড়তি চাপের তৈরি করছে বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশন নামের একটি সংগঠন।

গত ১৪ আগস্ট মধ্যরাত থেকে নতুন কলরেট চালু হয়েছে।

বিটিআরসির নির্দেশনা অনুযায়ী, সর্বনিম্ন কলরেট ২৫ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪৫ পয়সা এবং সর্বোচ্চ কলরেট ২ টাকা করতে বলা হয়েছে।

এরই প্রতিবাদে ঢাকায় আজ একটি মুক্ত সংবাদ সম্মেলনের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশন।

মোবাইল ফোন অপারেটরদের কাছে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে গ্রামীণফোন থেকে ৯০ শতাংশ কল হয় অননেটে (জিপি টু জিপি), ১০ শতাংশ কল অফনেটে (জিপি টু অন্য অপারেটর) হয়।

অন্যদিকে সরকারের মালিকানাধীন অপারেটর টেলিটকের ১০ শতাংশ কল অননেটে ও ৯০ শতাংশ কল অফনেটে হচ্ছে।

রবি ও বাংলালিংকের অননেট-অফনেট কলের পরিমাণ ৭০ ও ৩০ শতাংশ।

বিটিআরসি সূত্রে জানা গেছে, সর্বোচ্চ কলরেট ১.৫০ টাকা করার কথা বলা হলেও শেষ পর্যন্ত এটি ২ টাকা করার সিদ্ধান্ত হয়। এর প্রতিবাদেই এই সম্মেলন।

কেন প্রতিবাদ?

সংগঠনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ বলছিলেন বিটিআরসি’কে বিষয়টি জানিয়েছেন তারা।

তিনি বলছিলেন, ‘আমরা বলেছিলাম আপনারা একটা গণশুনানি করেন। আমরা আরো বলেছি ভোক্তাদের কথা শোনেন, আপনাদের কথা বলেন তারপর একটা গণশুনানি করেন। এরপর একটা মূল্য নির্ধারণ করেন। কিন্তু তারা কোনটাই করেন নি’।

‘আমরা এটার প্রতিবাদ করতে যাচ্ছি। আমরা আরো কিছু আন্দোলন সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত হচ্ছি। কারণ আমাদের জনগণের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে’ বলছিলেন তিনি।

তিনি কলরেটের বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বলছিলেন ‘এই রেটটা কিভাবে করলো , কেন করলো সেটা আমাদের কাছে বোধগম্য না। এখানে প্রজ্ঞাপনের মধ্যে একটা ফাঁক আছে। সেটা হল সর্বনিম্ন ৪৫ পয়সা এবং সর্বোচ্চ ২ টাকা নিতে পারবেন। কিন্তু আপনি যদি ২ টাকা নেন তাহলে কিন্তু কোন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেই।

পূর্বে অফনেটের কলরেট ছিল ৬০ পয়সা। ‘আমরা মনে করি এই সিদ্ধান্তটা একটা অনৈতিক সিদ্ধান্ত’ বলছিলেন মি. আহমেদ।

কী বলেছিল কর্তৃপক্ষ?

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের মতে বাংলাদেশের মোবাইল ফোন বাজারের সিংহভাগ শেয়ার একটি মোবাইল কোম্পানির দখলে থাকায় ভিন্ন কলরেটের কারণে এতদিন সুবিধা পেয়ে আসছিল তারা।

নতুন আইন অনুযায়ী, বাজারের শীর্ষে থাকা প্রতিষ্ঠান কিছুটা ক্ষতিগ্রস্থ হলেও অপেক্ষাকৃত ছোট প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য প্রতিযোগিতামূলক বাজার নিশ্চিত হবে বলে মন্তব্য করেছিলেন বাংলাদেশ টেলি যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জহুরুল হক।

হক বলেছিলেন, ‘যারা একটু দুর্বল অপারেটর তারা এবার একটু শক্তিশালী হতে পারবে।’

সরকারের এই নির্দেশনার ফলে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী অর্থনৈতিকভাবে উপকৃত হবে বলে মনে করেন মোবাইল ফোন সেবাদানকারী সংস্থা রবি’র কর্পোরেট ও রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স বিভাগের প্রধান শাহেদ আলম এর আগে।

আলম বলেন, ‘অন-নেট আর অফ-নেট ব্যবস্থায় আলাদা কলরেট থাকায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মানুষের কাছে বিভিন্ন অপারেটরের কয়েকটা সিম থাকতো। এখন কলরেট এক হয়ে যাওয়ায় সেই সমস্যা আর থাকবে না।’